Below Header Banner Area
Above Article Banner Area

2017 সালের 16 ই আগস্ট দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ভয়াবহ বন্যার জেরে সর্বস্বান্ত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ সেই বন্যার দেড় বছর পরেও ভিটে হারা হয়েছে

দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর জামালের এলাহাবাদ অঞ্চলে সাঁওতাল পল্লী একাধিক পরিবারের বন্যার সময় সরকার থেকে অর্থ সাহায্য বা বোন মিলে ছিল একটি করে ত্রিপল একদিন পর আর কোন সাহায্য না মেলায় অর্থাভাবে ঘর তৈরি করতে পারেননি এলাকার মানুষ গুলো বাধ্য হয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরে ত্রিপল গুলো নিচে পরিবার নিয়ে বাস করছেন তারা ঠিক এ রকমই ছিল পূর্ব গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রামে গ্রামবাসীদের একাংশ অভিযোগের সুরে বলেন চারিদিকে উন্নয়নের জোয়ার বইছে বলে শাসক দলের নেতারা শত প্রচার করলেও এদিকে নজর পড়েনি কারণ কারোরই জামার হাটখোলা নিকটবর্তী সাঁওতাল পল্লী একাধিক পরিবারের মাটির ঘর ভেঙেছে 17 বিধ্বংসী বন্যা দিনমজুর পরিবারগুলিকে প্রতিনিয়ত দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে পেটের জোগাড় করতে হয় দিনমজুরি করে যা কিছু আয় করেন তারা তাতে সংসার চালাতেই সব ফুরিয়ে যায় ফলে মাথা গোঁজার একটি কুঁড়েঘর করা সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে অথচ পঞ্চায়েত বিডিও অফিসের গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য গ্রামের শাসক দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন আদিবাসীদের কপালে জোটেনি কিছুই অভিযোগ তাদের পক্ষে কিছু দিতে না পারে হয়তো কারণ এই বিষয়ে মনা মূর্মু নামে এক বাসিন্দা বলেন সাঁওতাল পল্লী 2017 সালের বন্যায় বাড়িটা ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে বন্যার কয়েকদিন বিডিও অফিস থেকে এবং অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার সদস্যরা খিচুড়ি দিয়েছিল 21 দিন চালু দিয়েছিল প্রত্যেক পরিবারকে একটি করে ত্রিপল দিয়েছিল কিন্তু বন্যার জল নামার পর থেকে আর কোন সাহায্য পায়নি ভাঙ্গা বসত বাড়ির উপর ট্রিপল টাঙিয়ে কিশোরী নানী নাতি এদের নিয়ে থাকি খোলা জায়গায় থাকতে বড় ভালো লাগে দিনকাল তো ভালো না পরের জমিতে কাজ করে দিন কাটানো অনেকেই ঘরে বানানো টাকা পেল আমাদের বেশ কিছু পরিবারের কপালে তা জোটে বিধবা ভাতা ও পায়নি টাকা দিতে পারলে সরকারি ঘর হয়তো যুক্ত করি ত্রিপল সহ্য করে বাস করছে অন্যদিকে সোনামণি সরেন নামে এক বাসিন্দার বাসস্থানে কি দেখা গেল আরো এক করুণ দৃশ্য রাঙ্গামাটির পাতার মাদুর পেতে বসবাস করছে সরকারি সাহায্য পাওয়ার কি তিনি আরো বলেন আমরা গরীব মানুষ আমাদের দুঃখ কত ভালো কথা অমুক-তমুক পাব বলে ভোট চাই তাছাড়া আরো কত কত ঝড় ভর্তি প্রতিশ্রুতি আমরাও কিছু পাওয়ার আশায় দুহাত তুলে ভোট দিন কিন্তু তারপর তাদের আর দেখাই মেলেনা অনেক নেতাকে ঘরের জন্য ধরে ছিলাম কিন্তু কই কোন টাকা ও পেলাম না বহুকষ্টে ত্রিপল এর নিচে মাটিতে ইট পেতে বাস করছি সেটা খুব কষ্ট হয় ঘর তৈরি করা টাকা কোথায় পাব ইটভাটায় স্বামী ও আমি দুজনে দিনমজুরের কাজ করে যা হাতে পায় 5 জনের সংসার চালাতে সব শেষ হয়ে যায় তাহলে কিভাবে ঘর তৈরি করব বলুন আদিবাসী সব শেষ হয়ে যায় গরিব মানুষের দুঃখ দেখার কেউ নেই শুধুমাত্র এই গ্রামের সোনামণি স্বর্ণের মতন মানুষ না আরো বেশ কয়েকটি পরিবারে বাস ইতি উপরে নিচে প্রসঙ্গে এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বলেন বিষয়টি আমার জানা ছিল না আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি অবশ্যই আমি তাদের ঘরে জন্ম চেষ্টা করব এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা বলেন সত্যিই গ্রামের আদিবাসী ঘরবাড়িগুলো তাদের খুবই প্রয়োজন গ্রাম পর্যন্ত পক্ষ থেকে তাদের বাসস্থান যোগ্য ঘর তৈরি করে দেওয়া উচিত যাতে তারা সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে জীবন-যাপন করতে পারে এই শীতের রাতের কষ্ট হয় তারাও তো মানুষ অন্তত তাদের দিকে পঞ্চায়েতের লক্ষ্য রাখা উচিত

Below Article Banner Area

About Desk

Check Also

JIS Group organizes free of cost vaccination drive for everyone

JIS Group’s free-of-cost onsite vaccination drive has started today at Narula Institute of Technology campus …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Bottom Banner Area