Below Header Banner Area
Above Article Banner Area

লক্ষ লক্ষ মানুষের শুভ মিলনে উত্তাল ও উদ্বেল হয়ে উঠবে হজরত সাঈয়েদ শাহ আবদল্লাহ কেরমানী নেযামী চিশ্ তী রাহমাতুল্লাহু আলায়হে-র | উরস মোবারক |

সাড়ে পাঁচশো বছরেরও অধিককাল আগে এই সেনভুম পরগনার গভীর জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় বাবা আন্দুল্লাহ।
কেরমানী নামে এক মহান সাধকের আগমন ঘটে। সেই মানব দরদী সুফী সাধকের আবির্ভারে ধন্য হয়েছিল এই
বঙ্গভূমি তথা । অধ্যাত্মবাদের এই পীঠস্থান ভারতভূমি। সে সময় বাংলার এই নিবিড় বনভূমিতে ছিলনা লোকজনের
কোন শান্তিময় অস্তিত্বছিল নানাবিধ জীব-জন্তুর ও হিংস্র জানোয়ারের অবাধ উপদ্ৰব। অতি স্বল্পদিনে এই মহান সুবীর
আবির্ভারের এই স্থান শান্তিপূর্ণ লোকালয়ে ও পবিত্র তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়। অনন্য সাধারণ ও দুর্লভ খ্যাতির
অধিকারী এই মহাপুরুষের মধুর ব্যবহারে, সেবায় ও ভালোবাসায় নিঃস্ব ও নির্যাতিত মানুষ লাভ করে মুক্তির বার্তা
পথহারা মানুষ পায় পথের দিশাদুর্ভাগা মানুষ পায় সৌভাগ্যের সন্ধান।
তিনি ছিলেন জগৎ জোড়া খ্যাতির অধিকারী বিশিষ্ট পয়গম্বর হজরত ইব্রাহিম এবং হজরত মোহাম্মদুর }}| }
রাসুলুল্লাহ (দ:) এর বংশধর। তিনি ছিলেন ‘আহলে বায়েতের সুযোগ্য সন্তান। তিনি ছিলেন শহীদ শ্রেষ্ঠ হজরত ইমাম
হাসান-হোসেনের তপ্ত তাজা খুনের উত্তরাধিকারী। অপর দিকে তিনি ছিলেন পারস্য বা ইরান দেশের কেরমানের || {
সুবিখ্যাত আমীরের বংশধর। অন্য দিকে তিনি ছিলেন সর্ব শক্তিমান আল্লার অনুগ্রহ প্রাপ্ত ‘জবরদস্ত ওলী এবং
অসাধারণ শক্তিধর পীর ও মুর্শিদ’-এটাই তাঁর সর্বাধিক শ্রেষ্ঠ পরিচয়। আজও সেই মহামানব জাতিধর্ম নিবশেষে || {
সবার কাছে ‘বাবা শা’বদুল্লাহ কেরমানী’ নামে অমর হয়ে আছেন।
তার ও তার সুযোগ্য বংশধর ও উত্তরাধিকারীগণের গুণ-গানে ও স্মৃতি চারণে এই পূণ্যভূমি খুষ্টিগিরী দরগাহ ||
শরীফ প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ১১ফালুন হতে ১৫ ফালুন ১৪১৫, (ইং-২৪ ফেব্রুয়ারী হতে ২৮ ফেব্রুয়ারী
২০১৯) লক্ষ লক্ষ মানুষের শুভ মিলনে উত্তাল ও উদ্বেল হয়ে উঠবে।

Below Article Banner Area

About Desk

Check Also

JIS Group organizes free of cost vaccination drive for everyone

JIS Group’s free-of-cost onsite vaccination drive has started today at Narula Institute of Technology campus …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Bottom Banner Area