Below Header Banner Area
Above Article Banner Area

বৃহস্পতিবার রাত এগারোটা নাগাদ ব্রড স্ট্রিটের বাড়ির শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় শর্বরী দত্তের (Sharbari Dutta) মৃতদেহ

বৃহস্পতিবার রাত এগারোটা নাগাদ ব্রড স্ট্রিটের বাড়ির শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় শর্বরী দত্তের (Sharbari Dutta) মৃতদেহ। খ্যাতনামা প্রবীণ ফ্যাশন ডিজাইনারের এই অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে কিন্তু জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আজ ময়নাতদন্ত। এর মধ্যেই উঠে এল ফ্যাশন ডিজাইনারের বন্ধু সংযুক্তা বসুর বয়ানে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‘আমি আর বাঁচতে চাই না’, এই কথা নাকি একাধিকবার শর্বরী দত্ত নিজে জানিয়েছিলেন তাঁকে।
পরিবারে ছেলে ও বউমার সঙ্গে মন কষাকষিই কি তাহলে সেই কারণ? অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন এই নিয়ে। যদিও পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ছেলে জানিয়েছেন তাঁদের সঙ্গে মায়ের সম্পর্ক ভালই ছিল। কিছুদিন আগেই তাঁরা সবাই হইহই করে শান্তিনিকেতনে ঘুরে এসেছেন। তবে সূত্রের খবর, শর্বরীদেবীর কানের কাছে রক্তের দাগ ছিল। অন্য এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আঘাতের চিহ্নও নাকি ছিল। যদিও পুলিশ সেসব নিশ্চিত করেনি এখনও। দীর্ঘদিন ধরেই ওষুধ খেতেন শর্বরী দত্ত। তবে চিকিৎসক জানিয়েছেন, বাথরুমে তাঁর দেহের পাশে রক্ত ছিল। তবে দেহ কতক্ষণ সেখানে পড়ে ছিল জানা যায়নি। সেইজন্যই ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, সম্পত্তিগত কোনও বিবাদ ছিল কিনা, সেটাও দেখা হচ্ছে। বিমার কাগজপত্রও খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারী অফিসাররা।
এছাড়াও জানা গিয়েছে, লকডাউনে বেশ কিছু কাজ শর্বরীদেবীর হাত থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। তা নিয়েও মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। উপরন্তু সম্প্রতি শর্বরীদেবীর ভার্টিগো ধরা পড়ায় মাথাও ঘুরত তাঁর। বেশ কয়েকবার মাথা ঘুরে নাকি পড়েও গিয়েছিলেন। বন্ধু সংযুক্তা বসু জানিয়েছেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই শর্বরীদেবী একাকীত্বে ভুগতেন। ছেলে ও বউমার সঙ্গে কিছু বিষয়ে মন কষাকষি চলছিল বলেই অনেকসময় ওষুধও ঠিকমতো খেতেন না।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শাশুড়ি শর্বরী দত্তকে ফোনে না পেয়ে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর পুত্রবধূ ব্রড স্ট্রিটের বাড়িতে খোঁজ নিতে যান। বাড়ির শৌচাগারে শর্বরীদেবীর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তারপরই কড়েয়া থানার পুলিশকে (Kolkata Police) খবর দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের অনুমান সকালেই শর্বরীদেবীর মৃত্যু হয়।

ময়নাতদন্তের পর প্রাথমিকভাবে পুলিশকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে সেরিব্রাল স্ট্রোকেই মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। রিপোর্ট অনুযায়ী পুলিশের অনুমান, ময়নাতদন্তের সময় থেকে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা আগেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। শৌচাগারে যাওয়ার পরই সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়। তখনই সাপোর্ট হিসেবে কমোডে বসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন শর্বরীদেবী (Sharbari Dutta)।

Sharbari Dutta’s body was recovered from the toilet of her Broad Street home around 11pm on Thursday. But speculation is growing about this unusual death of a famous veteran fashion designer. Autopsy today. In the meanwhile, a shocking information came up in the statement of Sangita Basu, a friend of the fashion designer. “I don’t want to live anymore,” Sharwari Dutt told him more than once.
What is the reason for the quarrel with the son and daughter-in-law in the family? Many have raised questions about this. However, during the police interrogation, the boy said that his mother’s relationship with him was good. A few days ago, they all roamed around Santiniketan. However, sources said that Sharwari had blood stains on her ears. According to another media report, there were signs of injuries. Although the police have not confirmed that yet. Sharwari Dutt used to take medicine for a long time. However, the doctor said, there was blood next to his body in the bathroom. However, it was not known how long the body was lying there. That is why we are waiting for the autopsy report. Sources said that whether there was any property dispute is also being looked into. Investigating officers will also check the insurance documents.
It is also learned that several works in the lockdown went out of the hands of Sharwari Devi. He was also suffering from mental depression. In addition, he was dizzy when he was recently caught by Sharbaridevi’s Vertigo. He turned his head several times or even fell down. According to her friend Sanyukta Basu, Sharwari Devi has been suffering from loneliness since her husband’s death. He often did not take his medicine properly because he was having problems with his son and daughter-in-law.

Mother-in-law Sharwari Dutt was not on the phone since Thursday morning and went to look for her daughter-in-law’s house on Broad Street around 11:30 pm. He saw Sharbaridevi’s body lying in the toilet of the house. After that the police of Koreya police station (Kolkata Police) was informed. Family members estimate that Sharwari died in the morning.

After the autopsy, doctors initially informed the police that Sharwari Dutt had died of a cerebral stroke. According to police reports, he died about 36 hours before the autopsy. Cerebral attack occurs immediately after going to the toilet. Then Sharbari Dutta fell to her death in a commode as support.

Below Article Banner Area

About Mahatab Chowdhury

Check Also

JIS Group organizes free of cost vaccination drive for everyone

JIS Group’s free-of-cost onsite vaccination drive has started today at Narula Institute of Technology campus …

Bottom Banner Area